
স্টাফ রিপোর্টারঃ বরিশাল সদর উপজেলা চরবাড়িয়া ইউনিয়নে বাটনা গ্রামে নিজ জমিতে স্থাপনা উত্তোলন সময়সহ ৩ নারীসহ ৫জনকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এঘটনায় ভুক্তভোগী রাশিদা বেগম নিজ জমি রক্ষায় বাদী হয়ে বরিশাল বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
১৪৪/১৪৫ ধারায় অভিযোগ দায়ের করেন। বিজ্ঞ বিচারক রাসিদা বেগমের অভিযোগ আমলে নিয়ে বিরোধী ৩২ শতাংশ জমিতে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়। যাহার এম.পি কেস নং ১০৮/২০২৬ (কাউনিয়া)
ভুক্তভোগী রাসিদা বেগম মামলায় উল্লেখ করে বলেন, নিম্ন তফসিল বর্ণিত ভূমি সম্পর্কে জে.এল ৩৮ নং বাটনা মৌজায় এস.এ ১০৮ নং খতিয়ানের এস.এ ১২০/ ১২১ নং দাগের হিং ২ আনা অংশে ০.৭৬ একর ভূমিতে লুৎফর রহমান নিজ নামীয় রেকর্ড মূলে এবং অপর রেকর্ডীয় প্রজা নজরুল ইসলাম অপরাপর রেকর্ডীয় ব্যক্তিগণের সম্পত্তি খরিদ মূলে মালিক দখলকার বিদ্যমান থাকিয়া ভোগ দখলের সুবিধার্থে বিগত ২২/১২/১৯৭৭ তারিখে দলিল নং ১২৯০৩ মূলে ৪৫ শতাংশ ভূমিতে মালিক হয় লুৎফর রহমান আকন।
বর্তামনে খতিয়ানের বি.এস ৪৪১ নং দাগে ০.৩২ শতাংশ ভূমিতে স্বত্ববান মালিক দখলকার বিদ্যমান রয়েছি। ও বসত ঘর রয়েছে। আমার স্বামী মৃত: লুৎফর রহমানের ৩ পুত্র ওয়ারিশ বিদ্যমান আছেন।কিন্তু বর্তমানে অত্র বিবাদীগণ সম্পূর্ণ অন্যায় ও গায়ের জোরে বি.এস ৪৪১ নং দাগের বাড়ী অংশের ভূমি জোরপূর্বক ক্ষমতার অপব্যবহার করে আসছে।
ভুক্তভোগী রাসেল বলেন, আমার মা রাসিদা বেগম। আমি আমার পিতার ক্রয়কৃত জমিতে বর্তমানে বসবাস করে আসছি। আমার এসএ ও বিএস খতিয়ানে মোট জমি রয়েছে ৪৫ শতাংশ। কিন্তু আমরা দখলে রয়েছি ৩৯ শতাংশ।
গত শুত্রবার ১৬ই জানুয়ারি আনুমানিক সকাল ১০টার সময় আমাদের জমি দখল করতে বাটনা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে কিছু লোক দেশীয় অস্ত্র,রামদা,কুড়ালসহ লাঠি নিয়ে দাড়িয়ে রয়েছে দেখে একজন খবর দেয়। পরে দেখি স্থানীয় ভূমিদস্যু অভিযুক্ত সন্ত্রাস মুনছুর হাওলাদার (৬৭) পিতা- মৃত কেরামত আলী হাওলাদার,সুমন হাওলাদার (৩৭) পিতা-মুনছুর আলী হাওলাদার, জাকির হোসেন (৫৪) পিতা-মৃত মোশারেফ হোসেন, ওমর আলী হাওলাদার (৬১) পিতা-মৃত সরিপ আলী হাওলাদারসহ অজ্ঞাতনামা ৬/৭ জন মিলে আমার রেকর্ডকৃত জমি দখল করে স্থাপনা নির্মান করতে চেষ্টা করে। পরে আমি ও আমার পরিবার বাধা দিলে মুনছুর তার ছেলে সুমন,জাকির দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ধাওয়া করে ও ভাই বোনকে মারধর করেন। স্থানীয়রা আমাদের রক্ষা করে নয়তো আমাদের মেরে ফেলতো ওরা।
যার একাধিক ভিডিও আমাদের কাছে ডকুমেন্টস হিসাবে রয়েছে। বর্তমান আমি গ্রাম ছাড়া। আমাকে বাড়ি যেতে দিচ্ছে না। বিভিন্ন রকম ভাবে হত্যার হুকমি দিচ্ছে। পরবর্তীতে আমাদের বাড়িতে আসা মেহমানের দুইটি মোটরসাইকেল সুমন ও তার সহযোগীরা ভাংচুর করেন। আমরা কাউনিয়া থানায় এ ঘটনায় একটি অভিযোগ দিয়েছি।
এদিকে অভিযুক্ত জাকির হাওলাদার বলেন,আমাদের বিরুদ্ধে সব অভিযোগ মিথ্যা। আমাদের জমি দলিল আছে। আমি শুত্রবার দিন আমার জমিতে কাজ করতে গেলে আমাদের সাথে ঝামেলা হয় । আর এর আগেও স্থানীয় সাইফুল ইসলাম আব্বাস সহ শালিসদার বসে দুইপক্ষের কাগজ দেখে সমাধান করে এবং রোয়েদাদ নামা আমাদের পক্ষে দেয়।
প্রতিবেদকের নাম 








