
বার্তা ডেস্কঃ :: অবৈধ সম্পদ আড়াল করতে স্ত্রীকে অস্বীকার ও নিজের স্ত্রীকে বড় ভাইয়ের স্ত্রীর দাবি করে মন্তব্য করেন বরিশাল গণপূর্ত অফিসের হিসাব সহকারী আবুল হাসান রুপম।
রুপকের বিরুদ্ধে রয়েছে জালিয়াতি করে ৭লক্ষ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাত করার অভিযোগসহ গড়েছেন স্ত্রী সন্তান ও ভাইদের নামে কোটি কোটি টাকার সম্পদ।
বরিশাল গণপূর্ত অফিসের হিসাব সহকারী পদের চাকুরী যেনো আলাদিনের চেরাগ। এ যেন দিনে দুপুরে ডাকাতি করার মত অবস্থা।
সূত্র জানায়, চাকরীতে যোগদান প্রায় ১৬ বছর পার হলেও এখনো একই দপ্তরে কর্মরত আছেন তিনি। নেই কোনো বদলি। সব কিছুই স্বৈরাচার সরকারের আশির্বাদ
স্বৈরাচার সরকারের আশির্বাদপুষ্ট এখন ছাত্রদলের নেতা দাবী!
কাজ করে চাহিদা অনুযায়ী সরকারি বাবুদের কমিশন না দেওয়ায় কাজের বিল পাচ্ছেন না ঠিকাদাররা।
আবার কাউকে ‘স্বৈরাচারের দোসর’ তকমা লাগিয়ে হুমাি দিয়ে কাজের বিল আত্মসাতসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির আখড়া হিসাবে বরিশাল গণপূর্ত দপ্তরকে গড়ে তুলেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানাযায়,
স্বৈরাচার সরকারের আমলে হিসাব সহকারী পদে চাকরি করে সল্প দিনে গড়ে তুলেন অঢেল সম্পদের পাহাড়। যদিও রুপক এখন ছাত্রদলের সাবেক নেতা পরিচয় দিয়ে বর্তমানে অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে ফাইল বন্দি, নামে-বে-নামে টেন্ডার বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। এভাবেই অবৈধ উপায় কোটি কোটি টাকার মালিক বনে যাওয়া হিসাব সহকারী আবুল হাসান রুপক বরিশাল ও ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে একাধিক প্লট ও ফ্ল্যাট এবং দোকানের মালিক হয়েছেন।
বিভিন্ন ঠিকাদার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বলেন, রুপমের প্রাপ্ত তথ্যমতে স্ত্রী নারগিস হাসান এর নামে নগরীর সদর রোড়স্থ কাকলীর মোড় সিটি কর্পোরেশন এর ১২ নং স্টল বরাদ্দ নিয়ে বেআইনী ভাবে অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে ভাড়া দিয়েছেন।
যে বিষয়টি প্রথমে অস্বীকার করেন রুপম। তিনি সাংবাদিকদেন প্রশ্নের জবাবে মুঠোফোনে বলেন, ভাই স্টল আমার ভাই ও কার বউ নামে। আমার স্ত্রীর নামে নাই।
পরে সাংবাদিকদের কথার মার পেঁচে পরে স্বিকার করেন ওই স্টল তার স্ত্রীর নামে ও তার বড় ভাইয়ের স্ত্রী না সে তার স্ত্রী। পরে তিনি আরো বলেন, ভাই আমার দুই বউ।আমি ২ বিয়ে করেছি। তবে তিনি উত্তেজিত হয়ে সাংবাদিকদের হুমকিও প্রদান করেন। নার্গিস হাসান তার ভাইয়ের স্ত্রী (ভাবী), আসা তথ্যপ্রমানে দেখাযায় নার্গিস হাসানই তার স্ত্রী। দুর্নীতি ঢাকতে স্ত্রীর নামে সম্পত্তির পাহাড় গড়েছেন যে কারনে স্ত্রীকে অস্বিকার করছেন তিনি। এছাড়া তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হচ্ছে তা সঠিক না বলে রুপক দাবী করছেন।
এছাড়া তাদের নামে আরো স্টল বরাদ্দ আছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বরিশাল গণপূর্ত বিভাগের হিসাব সহকারী আবুল হাসান (রূপক) এর অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয় তদন্ত করার জন্য চেয়ারম্যান, দুর্নীতি দমন কমিশন এর কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ঠিকাদারী কাজ শেষ করেও সঠিক সময়ে বিল পাচ্ছেন না যারা। রুপক তার চাহিত কমিশন না পেলে ঠিকাদারদের নানা ভাবে হয়রানি করছেন। এভাবেই কোটি কোটি টাকার মালিক বনে যায়, গণপূর্ত বিভাগের হিসাব সহকারী আবুল হাসান রূপক।
আবুল হাসান রুপক তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ জাকির হোসেন ওসমান গণী, বর্তমান নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল আলম মিলে প্রত্যেক বছরের জুন মাসে প্রায় ২ কোটি টাকার অধিক অবৈধ ভাউচারের মাধ্যমে লুট পাট করেন যাহা নির্বাহী প্রকৌশলী, উপ-সহকারী প্রকৌশলী সকলে জড়িত। গত ১৬ বছর এভাবেই একই দপ্তরে কর্মরত থেকে প্রকৌশলীদের সঙ্গে নিয়ে আবুল হাসান রুপক হাতিয়ে নেন কোটি কোটি টাকা।
পি.পি আর, এর আইন অনুযায়ী প্রত্যেক বৎসরের ঠিকাদারের বিল ৩০ শে জুনের মধ্যে পরিশোধ করার নিয়ম থাকলেও তা সঠিক ভাবে পালন করছেন না বরিশাল গণপূর্ত বিভাগ। এছাড়া অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, বড় বড় ঠিকদারের এম.বি (মেজারমেন্ট) বইতে রড, ঢালাই, গাথুনী এক ওয়াল বার বার দেখাইয়া ঠিকাদারের সাথে আতাত কবিয়া কোটি কোটি টাকা লুট-পাট করছেন।
অনিয়ম ঢাকতে টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করা হচ্ছে অডিট কর্মকর্তাদেরও। এছাড়াও আবুল হাসান রুপক বরিশাল জর্ডান রোডে ২ (দুই) টি ফ্ল্যাট, ঢাকা ২ টি ফ্ল্যাট, রূপাতলী জমি, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বাড়ী, তার পর স্ত্রীদের নামে বে-নামে কোটি টাকার সম্পদ, এমনকি ভোলা ও বাকেরগঞ্জে জমি ক্রয় করছেন।
প্রতিবেদকের নাম 








