অসহায় হেলেনার পাশে ইউএনও ফরিদা, উপহার পেলেন মোবাইল খাবার রেইনকোট।

বার্তা টাইমস বিডি ডেস্কঃ  বরিশাল নগরীতে তিন কন্যার জননী, স্বামীহারা অসহায় নারী রিকশাচালক হেলেনা বেগমের পাশে দাঁড়িয়েছেন বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. ফরিদা সুলতানা। জীবিকার তাগিদে রিকশার হ্যান্ডেল ধরে ছুটে চলা এই নারীর কষ্টের কথা জানতে পেরে তাঁকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন ইউএনও।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) হেলেনা বেগমকে নিজের কার্যালয়ের কক্ষে ডেকে নেন ইউএনও ফরিদা সুলতানা। সেখানে তাঁর হাতে একটি রেইনকোট, একটি বাটন মোবাইল ফোন ও কিছু শুকনো খাবার তুলে দেওয়া হয়।

তিন কন্যাকে নিয়ে হেলেনা বেগমের জীবন চলে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে। স্বামীহারা এই নারী সংসারের হাল ধরেছেন নিজেই। পরিবারের ভরণপোষণের জন্য অন্যের কাছে হাত না পেতে রিকশা চালিয়ে উপার্জন করছেন তিনি। বৃষ্টি-রোদ উপেক্ষা করে প্রতিদিন জীবিকার সন্ধানে ছুটতে হয় তাঁকে।

এমন বাস্তবতায় একটি রেইনকোট তাঁর জন্য শুধু একটি উপহার নয়, বরং প্রতিকূল আবহাওয়ায় জীবিকা চালিয়ে যাওয়ার কিছুটা নিরাপত্তা। একইভাবে একটি মোবাইল ফোন ও শুকনো খাবারও তাঁর দৈনন্দিন জীবনে সামান্য হলেও স্বস্তি এনে দেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ইউএনও ফরিদা সুলতানার এমন উদ্যোগকে মানবিক ও প্রশংসনীয় হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। তাঁদের মতে, প্রশাসনের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তার এমন মানবিক উদ্যোগ অসহায় মানুষের প্রতি সমাজের অন্যদেরও সহমর্মী হতে উৎসাহিত করবে।

হেলেনা বেগমের মতো অসহায় মানুষের পাশে প্রশাসন ও সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে এলে তাঁদের জীবনসংগ্রাম কিছুটা সহজ হবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

Tag :
About Author Information

Barta Times bd

জনপ্রিয়

অসহায় হেলেনার পাশে ইউএনও ফরিদা, উপহার পেলেন মোবাইল খাবার রেইনকোট।

অসহায় হেলেনার পাশে ইউএনও ফরিদা, উপহার পেলেন মোবাইল খাবার রেইনকোট।

আপডেট সময় : ১২:৫০:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

বার্তা টাইমস বিডি ডেস্কঃ  বরিশাল নগরীতে তিন কন্যার জননী, স্বামীহারা অসহায় নারী রিকশাচালক হেলেনা বেগমের পাশে দাঁড়িয়েছেন বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. ফরিদা সুলতানা। জীবিকার তাগিদে রিকশার হ্যান্ডেল ধরে ছুটে চলা এই নারীর কষ্টের কথা জানতে পেরে তাঁকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন ইউএনও।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) হেলেনা বেগমকে নিজের কার্যালয়ের কক্ষে ডেকে নেন ইউএনও ফরিদা সুলতানা। সেখানে তাঁর হাতে একটি রেইনকোট, একটি বাটন মোবাইল ফোন ও কিছু শুকনো খাবার তুলে দেওয়া হয়।

তিন কন্যাকে নিয়ে হেলেনা বেগমের জীবন চলে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে। স্বামীহারা এই নারী সংসারের হাল ধরেছেন নিজেই। পরিবারের ভরণপোষণের জন্য অন্যের কাছে হাত না পেতে রিকশা চালিয়ে উপার্জন করছেন তিনি। বৃষ্টি-রোদ উপেক্ষা করে প্রতিদিন জীবিকার সন্ধানে ছুটতে হয় তাঁকে।

এমন বাস্তবতায় একটি রেইনকোট তাঁর জন্য শুধু একটি উপহার নয়, বরং প্রতিকূল আবহাওয়ায় জীবিকা চালিয়ে যাওয়ার কিছুটা নিরাপত্তা। একইভাবে একটি মোবাইল ফোন ও শুকনো খাবারও তাঁর দৈনন্দিন জীবনে সামান্য হলেও স্বস্তি এনে দেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ইউএনও ফরিদা সুলতানার এমন উদ্যোগকে মানবিক ও প্রশংসনীয় হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। তাঁদের মতে, প্রশাসনের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তার এমন মানবিক উদ্যোগ অসহায় মানুষের প্রতি সমাজের অন্যদেরও সহমর্মী হতে উৎসাহিত করবে।

হেলেনা বেগমের মতো অসহায় মানুষের পাশে প্রশাসন ও সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে এলে তাঁদের জীবনসংগ্রাম কিছুটা সহজ হবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।