ঢাকা ০২:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অসাধু ব্যবসায়ীদের পিছনে ফেলে  জ্বালানী তেল বিপননে আলাউদ্দিন আলোর চমক।

নিজস্ব প্রতিবেদক ।।  দেশজুড়ে অবৈধ মজুদকরণ, সিন্ডিকেট,কৃত্রিম সংকট তৈরী করে অতিরিক্ত মুনাফা লোভের আসায় জ্বালানী তেল মজুদ করে  নিজেদের লাভবান করছেন ব্যবসায়ীরা। আর এসব সিন্ডিকেটে জ্বালানি তেল ব্যবসায়ী বা ডিলাররা জড়িত রয়েছে।  বরিশালে বেশিভাগ স্থানেই জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট দেখা গেছে। পাম্পে দীর্ঘ লাইন থাকার পরও জ্বালানী তেল পাচ্ছে না কৃষক ও গাড়ি চালকরা। চাহিদামত তেল না পাওয়ায় বেশিভাগ পেট্রোল পাম্প ১২ঘন্টার বেশি সময় ধরে বন্ধ রাখা হচ্ছে ।

 

তবে কৃষকদের চাহিদা পূরণে  ও বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষদের কথা চিন্তা করে সরকারে সাথে ঐক্য হয়ে বরিশালে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন স্বনামধন্য জ্বালানী তেল ব্যবসায়ী, যমুনা ও পদ্মা অয়েল লিমিটেড এর ডিলার মেসার্স মিশু এন্টারপ্রাইজের স্বত্তাধিকারী মোঃ আলাউদ্দিন আলো।

 

গত ২মাস যাবৎ আলাউদ্দিন আলো সুষ্ঠুভাবে জ্বালানী তেল বিপননে এক অভিনব পন্থা গ্রহণ করেন। তার এই ব্যতিক্রমী কাজের জন্য তিনি ইতিমধ্যেই ব্যবসায়ীক অঙ্গণসহ বিভিন্নস্থানে প্রসংশিত হয়েছেন। প্রকৃত সুবিধাভোগীদের মাঝে জ্বালানী সরবারহের জন্য তিনি ইতিমধ্যে নানা উদ্যোগ গ্রহন করেছেন।

 

বরিশাল সদর উপজেলার শায়েস্তাবাদ বাজারের তেল ব্যবসায়ী ও কৃষক সোবহান মিয়া বলেন, আমি লাইসেন্স পাপ্ত। চাহিদামত তেল পাচ্ছি না। দোকানও বন্ধ করে রেখেছি। আমার জমি রয়েছে বিভিন্ন ফসলাদী – আবাদি ও মাছ চাষ করি। তেলের জন্য মাছের ঘেরে জেনারেটর ও মেশিন  চালু করতে পারি নাই। পরে  জ্বালানি তেল ব্যবসায়ী ডিলার আলাউদ্দিন আলো ভাই  সহযোগীতা করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ এখন চাহিদা কম হলেও ক্ষুদ্রপরিসরে তেল বিক্রি করি  ও মাছের ঘেরে জেনারেটর ও চলে। আলাউদ্দিন আলো ভাইর এমন উদ্যোগে  সন্তুষ্ট প্রকাশ ও তাকে সাধুবাদ জানাই।

 

জ্বালানী তেল নিতে আসা আরেক ব্যবসায়ী চরমোনাইর বাসিন্দা সুমন বলেন, আমরা চাহিদামত জ্বালানি তেল পাচ্ছিনা। তবে যেটুকু আমরা পাচ্ছি তা আলো ভাইয়ের সততা আর তার উদ্যোগের কারনেই পাচ্ছি। সকল দালাল ও অবৈধ সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম কমিয়ে আলো ভাই আমাদের সকলের কাগজপত্র চেক করে স্লিপের মাধ্যমে জ্বালানি তেল দিচ্ছেন। যে কারনে অবৈধ মুনাফালোভীরা লাভবান হতে পারছেন না। আমরা আলো ভাইকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।

 

এ বিষয় আলাউদ্দিন আলো বলেন, দায়বদ্ধতা, সঠিক মাপে তেল বিক্রি, সংকটকালে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বা ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা আমার কাজ। যেহেতু আমি জ্বালানি তেলের ডিলার তাই সকল ব্যবসায়ী ও বিশেষ করে কৃষকদের কথা চিন্তা করে সরকারের সাথে ঐক্য হয়ে এমন উদ্যোগ নিয়েছি। লাভ দরকার নাই আমার। মানুষ ন্যায্যমূলে যেনো তেল পায় সেই কাজে সরকারের সাথে আমি ঐক্যবদ্ধ। তবে

বোরো মৌসুমের মতো ব্যস্ত সময়ে কৃষকদের মাঝে জ্বালানি তেল  সহজলভ্য করতে অগ্রণী ভূমিকা রাখা জরুরী। একারনেই প্রকাশ্যে সুশৃঙ্খলভাবে আমার লাইসেন্স অনুযায়ী প্রাপ্ত জ্বালানী বিপননে এ উদ্যোগ নিয়েছি। আমি আমার ২টি লাইসেন্সের নিয়মানুযায়ী শর্তসাপেক্ষে প্রায় ৪৫ হাজার লিটার জ্বালানি তেল মজুদের এখতিয়ার রাখি। কিন্তু এই ক্রান্তিকালে আমি একলিটার জ্বালানি তেলও মজুদ করিনি। আমি লাইসেন্সের নিয়মানুযায়ী যেপরিমান জ্বালানি তেল পাচ্ছি তা স্বচ্ছতার সহিত প্রতিদিনই ব্যবসায়ীদের মাঝে কাগজপত্র যাচাই করে বিপনন করে আসছি। ভবিষ্যতেও আমার এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

 

Tag :
About Author Information

Barta Times bd

জনপ্রিয়

আলোচিত ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের দুর্নীতি তদন্তের নির্দেশ আদালত!

অসাধু ব্যবসায়ীদের পিছনে ফেলে  জ্বালানী তেল বিপননে আলাউদ্দিন আলোর চমক।

আপডেট সময় : ০৩:০৮:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক ।।  দেশজুড়ে অবৈধ মজুদকরণ, সিন্ডিকেট,কৃত্রিম সংকট তৈরী করে অতিরিক্ত মুনাফা লোভের আসায় জ্বালানী তেল মজুদ করে  নিজেদের লাভবান করছেন ব্যবসায়ীরা। আর এসব সিন্ডিকেটে জ্বালানি তেল ব্যবসায়ী বা ডিলাররা জড়িত রয়েছে।  বরিশালে বেশিভাগ স্থানেই জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট দেখা গেছে। পাম্পে দীর্ঘ লাইন থাকার পরও জ্বালানী তেল পাচ্ছে না কৃষক ও গাড়ি চালকরা। চাহিদামত তেল না পাওয়ায় বেশিভাগ পেট্রোল পাম্প ১২ঘন্টার বেশি সময় ধরে বন্ধ রাখা হচ্ছে ।

 

তবে কৃষকদের চাহিদা পূরণে  ও বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষদের কথা চিন্তা করে সরকারে সাথে ঐক্য হয়ে বরিশালে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন স্বনামধন্য জ্বালানী তেল ব্যবসায়ী, যমুনা ও পদ্মা অয়েল লিমিটেড এর ডিলার মেসার্স মিশু এন্টারপ্রাইজের স্বত্তাধিকারী মোঃ আলাউদ্দিন আলো।

 

গত ২মাস যাবৎ আলাউদ্দিন আলো সুষ্ঠুভাবে জ্বালানী তেল বিপননে এক অভিনব পন্থা গ্রহণ করেন। তার এই ব্যতিক্রমী কাজের জন্য তিনি ইতিমধ্যেই ব্যবসায়ীক অঙ্গণসহ বিভিন্নস্থানে প্রসংশিত হয়েছেন। প্রকৃত সুবিধাভোগীদের মাঝে জ্বালানী সরবারহের জন্য তিনি ইতিমধ্যে নানা উদ্যোগ গ্রহন করেছেন।

 

বরিশাল সদর উপজেলার শায়েস্তাবাদ বাজারের তেল ব্যবসায়ী ও কৃষক সোবহান মিয়া বলেন, আমি লাইসেন্স পাপ্ত। চাহিদামত তেল পাচ্ছি না। দোকানও বন্ধ করে রেখেছি। আমার জমি রয়েছে বিভিন্ন ফসলাদী – আবাদি ও মাছ চাষ করি। তেলের জন্য মাছের ঘেরে জেনারেটর ও মেশিন  চালু করতে পারি নাই। পরে  জ্বালানি তেল ব্যবসায়ী ডিলার আলাউদ্দিন আলো ভাই  সহযোগীতা করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ এখন চাহিদা কম হলেও ক্ষুদ্রপরিসরে তেল বিক্রি করি  ও মাছের ঘেরে জেনারেটর ও চলে। আলাউদ্দিন আলো ভাইর এমন উদ্যোগে  সন্তুষ্ট প্রকাশ ও তাকে সাধুবাদ জানাই।

 

জ্বালানী তেল নিতে আসা আরেক ব্যবসায়ী চরমোনাইর বাসিন্দা সুমন বলেন, আমরা চাহিদামত জ্বালানি তেল পাচ্ছিনা। তবে যেটুকু আমরা পাচ্ছি তা আলো ভাইয়ের সততা আর তার উদ্যোগের কারনেই পাচ্ছি। সকল দালাল ও অবৈধ সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম কমিয়ে আলো ভাই আমাদের সকলের কাগজপত্র চেক করে স্লিপের মাধ্যমে জ্বালানি তেল দিচ্ছেন। যে কারনে অবৈধ মুনাফালোভীরা লাভবান হতে পারছেন না। আমরা আলো ভাইকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।

 

এ বিষয় আলাউদ্দিন আলো বলেন, দায়বদ্ধতা, সঠিক মাপে তেল বিক্রি, সংকটকালে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বা ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা আমার কাজ। যেহেতু আমি জ্বালানি তেলের ডিলার তাই সকল ব্যবসায়ী ও বিশেষ করে কৃষকদের কথা চিন্তা করে সরকারের সাথে ঐক্য হয়ে এমন উদ্যোগ নিয়েছি। লাভ দরকার নাই আমার। মানুষ ন্যায্যমূলে যেনো তেল পায় সেই কাজে সরকারের সাথে আমি ঐক্যবদ্ধ। তবে

বোরো মৌসুমের মতো ব্যস্ত সময়ে কৃষকদের মাঝে জ্বালানি তেল  সহজলভ্য করতে অগ্রণী ভূমিকা রাখা জরুরী। একারনেই প্রকাশ্যে সুশৃঙ্খলভাবে আমার লাইসেন্স অনুযায়ী প্রাপ্ত জ্বালানী বিপননে এ উদ্যোগ নিয়েছি। আমি আমার ২টি লাইসেন্সের নিয়মানুযায়ী শর্তসাপেক্ষে প্রায় ৪৫ হাজার লিটার জ্বালানি তেল মজুদের এখতিয়ার রাখি। কিন্তু এই ক্রান্তিকালে আমি একলিটার জ্বালানি তেলও মজুদ করিনি। আমি লাইসেন্সের নিয়মানুযায়ী যেপরিমান জ্বালানি তেল পাচ্ছি তা স্বচ্ছতার সহিত প্রতিদিনই ব্যবসায়ীদের মাঝে কাগজপত্র যাচাই করে বিপনন করে আসছি। ভবিষ্যতেও আমার এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।