
নিজস্ব প্রতিবেদক: বরিশাল নগরীর কেডিসি এলাকায় ইয়াবা ও গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্যের বেচাকেনা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও একাধিক সূত্রের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে কৌশলে ওই এলাকায় মাদকদ্রব্যের কেনাবেচা চলছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে ময়না ও তার স্বামী খলিলের নাম মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত হিসেবে উঠে এসেছে। একইসঙ্গে জিলা স্কুল সংলগ্ন এলাকার রফিক এবং কশাইখানা এলাকার বাসিন্দা মালার বিরুদ্ধেও মাদক ব্যবসায় সম্পৃক্ততার পাওয়া গেছে।
সূত্রে জানায়, কেডিসি এলাকায় মাদক সরবরাহের একটি অংশ ময়না ও খলিলের মাধ্যমে হয়ে থাকে বলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা রয়েছে। তাদের মাধ্যমে ইয়াবা ও গাঁজার চালান এলাকায় আসে এবং পরে তা বিভিন্ন পর্যায়ে বিক্রি করা হয়—এমন অভিযোগও পাওয়া গেছে। রফিক ও মালার সঙ্গে তাদের কথিত ব্যবসায়িক যোগাযোগ রয়েছে বলেও একটি সূত্র দাবি করেছে।
মাদক ব্যবসার অভিযোগের বিষয়ে আরও জানা যায়, প্রশাসনের নজর এড়াতে সংশ্লিষ্টরা একাধিক স্থানে বাসা ব্যবহার করছেন খলিল ও ময়না দম্পতি। কেডিসি ছাড়াও সিএন্ডবি রোড থেকে গাবতলা এবং সিকদারপাড়া এলাকায় ময়না ও খলিলের বাসা রয়েছে বলে সূত্রের দাবি। প্রতিমাসে এসব ঘরে ভাড়া প্রায় ১৬ হাজার টাকা বলেও সূত্র জানিয়েছে। আর এসব ভাড়া খলিল ও ময়না দম্পতি পরিশোধ করে।
এদিকে কেডিসি এলাকায় ময়নার ভাতের হোটেলের সামনের অংশে মাদক কেনাবেচা হয়ে থাকে বলে কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করেছেন। তাদের দাবি, বিভিন্ন সময়ে সেখানে সন্দেহজনক লোকজনের আনাগোনা দেখা যায়। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। তাছাড়া পূর্বেও তাদের বিরুদ্ধে মাদকসহ ডিবি পুলিশ একাধিক বার আটকের ঘটনা রযেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন, , খলিল ও ময়না নামে-বেনামে একাধিক মোবাইল সিম ব্যবহার করেন এবং নিয়মিত ঢাকায় যাতায়াত করেন। পাশাপাশি যশোর ও কুমিল্লাসহ বিভিন্ন এলাকায় তাদের যাতায়াত রয়েছে।
একটি গোপন সূত্র জানান, খলিল ও ময়নার বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানাসহ বরিশালের বিভিন্ন থানায় পূর্বে মাদকসংক্রান্ত মামলা রয়েছে। কেডিসি এলাকায় মাদকসংক্রান্ত এসব অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা বের করা প্রয়োজন। অভিযোগ সত্য হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি মাদকের সরবরাহের উৎসও শনাক্ত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মামুন উল ইসলাম বলেন, “মাদক ব্যবসা বন্ধে আমরা জিরো টলারেন্স। কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। বিষয়টি আমাদের নজরে রয়েছে।”
অভিযোগগুলোর বিষয়ে ময়না, খলিলকে একাধিকবার কল দিলে তাদের ফোন বন্ধ পাওযা যায়,
প্রতিবেদকের নাম 








